ওসমানীনগর প্রতিনিধি
ডিসেম্বর / ১২ / ২০২২
উপজেলার সর্বত্রই ব্যস্থ সময় পার করছেন কৃষকরা। একদিকে আমন ধান গোলায় তুলতে আবার অন্য দিকে বোরো ফসল আবাদের জন্য জমি চাষের কাজে কৃষকরা। তবে কোথাও দেখা যাাচ্ছে না গরুর হাল। ওসমানীনগরে এক সময়ে কৃষকদের জমি চাষে একমাত্র নির্ভরশীল গরুর হাল চাষ এখন বিলুপ্তির পথে। প্রতিটি বাড়ি বাড়ি হাল চাষের জন্য একাধিক জোড়া হালের বলদ,লাঙ্গল,জোয়াল ও মইসহ হালচাষের সরঞ্জাম যেন বাড়ির একটি মানান ছিল। যার বাড়িতে যত বেশি ঐসব সরঞ্জাম থাকতো,এলাকা জুড়ে তার পরিচিতি থাকতো তত বেশি। এতে করে শোভা পেত তার বাড়ির গোয়ালঘর ও বৈঠকখানা।
এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই বৈঠকখানাও আর নেই,নেই হালের বলদ,লাঙ্গল,জোয়াল। সবকিছুই এখন বিলুপ্তি হতে চলেছে। সময় ও অর্থের সাশ্রয় এবং এবং ঝামেলামুক্ত থাকতেই লোকজন এখন গরুর হালের পরিবর্তে মাঠে মাঠে নামিয়েছে,পাওয়ার ট্রিলারের যান্ত্রিক হালচাষ। গরুর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি,কামলাদের চাহিদা বেড়ে যাওয়া,গৃহস্থরা আর চায় না অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে। সময় ও অর্থ বাঁচাতে কৃষকদের প্রায় বাড়ি বাড়ি হয়েছে পাওয়ার ট্রিলার।
কৃষক আব্দুল মন্নান বলেন, আমাদের আগামী প্রজন্ম লাঙ্গল জোয়াল এই গুলো কি তা দিয়ে কি করা হত তারা বলতে পারবে না। তাই আমি মনে করি সরকার উদ্যোগ নিয়ে এই গুলো মিউজিয়ামে রাখা প্রয়োজন।