বিজ্ঞপ্তি
নভেম্বর / ০৯ / ২০২২
গত ০৬/১১/২০২২ ইং তারিখ রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সিলেট “ল” কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস ও জেলা ছাত্র দলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ.ফ.ম কামাল এয়ারপোর্ট থানাধীন চৌকিদেখী হইতে প্রাইভেটকারে বালুচরস্থ তাহার বাসায় যাওয়ার পথে ঘটনাস্থল এয়ারপোর্ট থানাধীন আম্বরখানা বড়বাজারস্থ এম.এ মঞ্জিল, ১১৮নং বাসার সম্মুখের রাস্তায় এজাহার নামীয় ১০ জন আসামী সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৪/৫টি মোটরসাইকেল যোগে আসিয়া পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খুন করার উদ্দেশ্যে ভিকটিম আ.ফ.ম কামাল প্রাইভেট কার গতি রোধ করিয়া প্রাইভেট কার এর দরজা খুলিয়া গাড়ীর ভিতর চালকের আসনে বসা থাকা অবস্থায় আসামীগণ দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র দ্বারা আঘাত করিয়া মারাত্মক জখম করে। ভিকটিমের ডাক-চিৎকারে ঘটনাস্থলের আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসিলে আসামীগণ মোটরসাইকেল নিয়া পালিয়ে যায়। ঐসময় স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাহাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই অফিসার ইনচার্জ খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব মুঃ মাসুদ রানা, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব মোঃ আজবাহার আলী শেখ(পিপিএম), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর-অপরাধ) জনাব গৌতম দেব ও সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব অলক কান্তি শর্মা মহোদয়গণ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং ঘটনার সহিত জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করেন। ভিকটিমের বড় ভাই মঈনুল হক(৫৬), পিতা-মৃত তৈমুছ আলী, সাং-আলীনগর, পালপুর, থানা-জালালাবাদ, জেলা-সিলেট থানায় আসিয়া লিখিত এজাহার দায়ের করিলে এয়ারপোর্ট থানার মামলা নং-০৮, তাং-০৮/১১/২০২২খ্রিঃ, ধারা-৩৪১/৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তভার এসআই(নিঃ)/পলাশ চন্দ্র দাশ এর নিকট অর্পন করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে সাথে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব মোঃ আজবাহার আলী শেখ, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর-অপরাধ) জনাব গৌতম দেব ও সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব অলক কান্তি শর্মা মহোদয়দের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দ্বয়ের নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামীদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করিয়া এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অত্র মামলার ঘটনার সহিত জড়িত এজাহার নামীয় ৫নং আসামী আজিজ হাসান কুটি (৩০), পিতা-মৃত নুর মিয়া, মাতা-শুরেজা বেগম, সাং-মংলীপাড়, নেছারাবাদ হাউজিং এর বিপরীত পার্শ্বে, থানা-এয়ারপোর্ট, জেলা-সিলেটকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।