ওসমানীনগর প্রতিনিধি
ডিসেম্বর / ০৫ / ২০২২
কাজ সরকারের হলেও যিনি দায়িত্বে থাকেন কাজ শেষে তার নামেই হয়ে থাকে নাম ফলক।বিশেষ করে যারা যে সব এলাকার সংসদ সদস্য থাকেন তাদের নাম ফলক গুলো দৃষ্টি গোচর হয় বেশি।ক্ষমতার পালাবদলে একেক জায়গায় একাধিক সংসদ সদস্যর নাম ফলক স্থাপন করা হয়। সরকারের টাকায় নীর্মিত হলেও ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আর এগুলোর কোন কদর থাকেনা। ভেঙ্গে গেলে হয়না সংস্কার আবার কোথাও কোথাও ভেঙ্গে দেয়া হয়।
সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা - সিলেট মহাসড়কের পাশে ছিলো সিলেট-২ আসনের সাবেক একাধিক সংসদ সদস্য'র নামে পৃথক পৃথক নাম ফলক ।বেশ কিছুদিন যাবৎ এগুলো পড়ে আছে মাটিতে ।এমনিতে পড়েছে না ফেলে দেওয়া হয়েছে বিষয়টি সকলের অজানা।
জানাযায় , উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণশাসন গ্রামের একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। সেখানে প্রথম কাজ করান সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী । পরবর্তিতে এ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া । প্রায় ৬০০ মিটার আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ আলাদা আলাদা ভাবে করায় দুজনের নামেই মহাসড়কের পাশেই স্থাপন করা নাম ফলক।কিন্তু একি সঙ্গে দুটি নাম ফলক ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে আছে ।
ভাঙ্গা নাম ফলকের আশেপাশে বসবাসরত একাধিক ব্যাক্তিকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান , বেশ কিছু দিন যাবৎ দেখছেন এগুলো মাটিতে পড়ে আছে।কিন্তু কেউ ভেঙ্গেছে না এমনিতেই পড়ে গেছে এ ব্যাপারে কারো কিছু জানা নেই।
এ ব্যাপারে সিলেট - ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াহ ইয়া চৌধুরী এহিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজ যেখানে করা হচ্ছে সেখানেই নাম ফলক স্থাপন করা হয়ে থাকে । আর সেটা রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব সড়ক জনপদের দায়িত্বে যারা রয়েছেন তাদের। কিন্তু তার নাম ফলক ভাঙ্গা বা পড়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোন মন্তব্য নেই বলে জানান তিনি।
সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিলেট - ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন , যদি ভেঙ্গ পড়ে তাহলে সেটা দেখার দায়িত্বে যারা রয়েছেন তারা দেখবেন। আর যদি ভাঙ্গা হয়ে থাকে তাহলে সেটা মানুষের অকৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছু নয়।