সুনামগঞ্জের আলোচিত কলেজ ছাত্রীসহ পৃথক তিনটি র্ধষন মামলার
৫জনের যাবতজীবন কারাদন্ড ও দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা
দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃজাকির হোসেন।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে এই কারাদণ্ড ঘোষণা দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃজাকির হোসেন।
বৃহস্পতিবার সকালে এ রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক জাকির হোসেন।
যাবজ্জীবন
কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হল,তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের শাহ আরেফিন
এলাকায় গত ২০১২ সালে কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় জেলার বিশ্বম্ভরপুর
উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের আলী নুরের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৭),শাহিদাবাদ
গ্রামের সয়ফুল্লাহ শফিউল্লাহ (২৪),জাবেদ মিয়ার ছেলে ছাইদুর
রহমান(২০),আব্দুল মজিদের ছেলে সফিকুল(২০)সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একলাখ
টাকা জরিমানা করা হয় এই মামলায় একজনকে খালাশ দেয়া হয়েছে তিনি হলেন,আঃ
আওয়ালের ছেলে সেলিম(১৮)।আনোয়ারুল আজিম আকাশ(১৯),মাফিনুর (২০) এর বিরুদ্ধে
অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় খালাশ দেন আদালত।
একেই(১৬৪/১২)
বছরে অপর র্ধষন মামলায় জেলার ছাতক উপজেলার মোশাহিদ আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন
(১৯)কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড। যা ভিক্টিম ক্ষতি
পুরন হিসাবে প্রাপ্ত হবে। একেই মামলায় অপর আসামী মৃত মছদ্দর আলীর ছেলে
জয়নাল আবেদীন (৪০)কে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড
অনাদয়ে অতিরিক্ত তিন মাসের প্রত্যকে কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
অপর
আরেকটি ২৩৩/২১ র্ধষন মামলায় সিলেট জেলার জালালাবাদ থানার মোল্লার গাও
গ্রামের মৃত তৌফিক মিয়া ওরফে মইন্নার ছেলে শহীদ মিয়া(২৫)কে ৫বছর সশ্রম
কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। এই মামলায় ছাতক থানার কামরাঙ্গী গ্রামের
হাবিব আহমেদের ছেলে রশিদ আহমেদ (৩২)এর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায়
খালাশ দেন আদালত।
এই রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নান্টু রায়।
আদালত
সূত্রে জানাযায়,২০১১সালে শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেটের লামাকাজী
থেকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার যাওয়ার পথে ওই কলেজছাত্রীকে দিরাই পৌরসভার
সুজানগর এলাকায় চালক ও হেলপার কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই
ছাত্রী চলন্ত বাস থেকেই লাফিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায়
উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় রোববার রাতেই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে
বাসের চালক শহীদ মিয়া ও হেলপার রশিদ আহমদকে আসামি করে দিরাই থানায় নারী ও
শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।মামলার রায়ের সময় মামলার দুই আসামি
বাসের চালক শহীদ মিয়া (২৭) ও হেলপার রশিদ মিয়া (৩৪) আদালতে উপস্থিত হয়েছেন।
অন্য
গত ২০১২ সালে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাসিন্দা দীগন্দ্র বর্মন ডিগ্রি
কলেজ একাদশ শ্রেণির ছাত্রী তার বন্ধু কে নিয়ে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট
ইউনিয়নের শাহ আরেফিন এলাকায় বেড়াতে গেলে বখাটেরা জোড় করে শাহ আরেফিন এলাকায়
আখ খেতে নিয়েন গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া।