অবহেলিত কুয়ারপার এলাকাবাসী
আবীর মো. মুমিত: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কুয়ারপার এলাকার রাস্তা সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হয় গত ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর, পরবর্তীতে সিসিকের সুষ্ঠু তদারকির অভাবের কারণে বর্তমানে কাজে অনেক ত্রুটি ধরা পড়ে। ত্রুটির মধ্যে উল্লেখ্য বড় বড় অট্রালিকা রেখে ড্রেনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় মাসখানিক আগে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী পরিদর্শনে এসে বলেন,কুয়ারপার পয়েন্ট থেকে ভেতরের পয়েন্ট পর্যন্ত যেকোনো কারণেই হোক বেশ কয়েকটি ভবন রক্ষা করা হয়েছে যা নিয়ম বহিঃভূত হয়েছে।তা পুনরায় জরিপের মাধ্যমে ভাংগার ব্যবস্থা করা হবে এবং কেনো এমম হল তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশ্ন হল কাজ শুরু হওয়ার আজ এক বছর তিন মাস হতে চলেছে এবং যে ত্রুটিগুলো ধরা পড়েছে তা অনেক আগেই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নজরে আসার কথা ছিল, নজরে না আসার পেছনে জনমনে অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। এলাকার জনগণের সাথে প্রতিবেদক কথা বলে জানতে পারেন ইদানিং যে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে তা হল কাজ বন্ধ থাকা ড্রেনগুলোতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালেই এডিস মশা অর্থাৎ ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে তাছাড়া সেফটি ট্যাংকীর ময়লা ড্রেনের পানির সাথে একাকার হওয়ার কারণে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে কাজ শেষ না হওয়ার কারণে রাস্তার ধুলাবালিতে বসতবাড়ির অবস্থা শোচনীয় এমনকি এই রাস্তা দিয়ে এলাকাবাসী যাতায়াতের কারণে শ্বাসকষ্ট রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, স্কুলের কোমলমতি শিশুরাও ধুলাবালির কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চাকুরীজীবী মহিলা কুয়ারপার শ্বশুরালয় না থেকে, ধুলাবালি থেকে বাঁচার কারণে বাবার বাড়ি থেকে অফিসে যাতায়াত করেন। একজন ব্যবসায়ী বললেন মেয়র আরিফ বেশ কিছুদিন অন্তর অন্তর এসে আমাদেরকে "ফু" দিয়ে যান কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। তিনি বলেন কুয়ারপারের রাস্তা নিয়ে সিসিকের এত উদাসীনতা কেন?
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোঃ জাহেদুল ইসলাম, দৈনিক পুণ্যভূমির কাছ থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের বিষয়টা জেনে দুঃখ প্রকাশ করেন, এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন আগে এ বিষয়ে অবগত ছিলাম না, তিনি বলেন যেহেতু প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্ব আমার না, কিন্তু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে সমস্যা সম্বন্ধে আমি অবগত হলাম তা দ্রুত প্রতিকারের ব্যবস্থা করব। এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য সিসি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর মুঠোফোনে চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।