বিজ্ঞপ্তি
অক্টোবর / ৩০ / ২০২২
সিলেটের উন্নয়নমূলক সংগঠন সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরাম এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহি উদ্দিন আহমদ, সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি শামীম হাসান চৌধুরী এডাভোকেট, সিলেট জেলা শাখার সভাপতি দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হেসেন জিলন এক যুক্ত বিবৃতিতে সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ সমস্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সহ বিভিন্ন সমস্যা জরুরী ভিত্তিতে নিসরনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিং তথা রাতের বেলা সিলেট মহানগরী সহ সিলেট বিভাগের সর্বত্র লোডশেডিং এর কারণে অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকায় সকল স্থানে অস্বাভাবিক ভাবে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এহেন অবস্থা নিরসনে সর্বত্র আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও নজরদারি জোরদার করার দাবী জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানি সংকট নিরসন কল্পে সিলেট বিভাগের সকল গ্যাস কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি করে সিলেট বিভাগের সর্বত্র গ্যাস সংযোগ প্রদান এবং কৌলাশটিলা, হরিপুর, রশিদপুর গ্যাস কূপ থেকে তেল উত্তোলন করে সিলেট বিভাগের পাম্প সমূহে তেল, গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করে জ্বালানি সংকট নিরসন করার দাবী জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দ্রব্য মূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, মানহীন ভেজাল দ্রব্যে বাজার সয়লাভ হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত এবং ক্রেতা সাধারণ নানা ভাবে হয়রানী, ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হচ্ছেন। এহেন অবস্থা নিরসনে সিলেট বিভাগের সর্বত্র বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারের দাবী জানান।
তারা বলেন, অতিসম্প্রতি সরকার প্রতিটি সাবরেজিস্ট্রারী অফিসের এলাকাধীন জমির মূল্য বৃদ্ধির তৎপরতা শুরু করেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অর্থ ও জ্বালানি সংকট, করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন এমনিতেই বিপর্যস্ত হওয়ায় উপরোক্ত বিষয়াদি বিবেচনা করে আগামী ৫ বছর পর্যন্ত সিলেট বিভাগের জমির মূল্য বৃদ্ধি না করার দাবী জানান।
তারা বলেন, গত ২৫ অক্টোবর বেলা ১১টায় এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের প্রতারণা ও অবহেলার কারণে কমলগঞ্জ উপজেলার কালেঙ্গার গ্রামের কামাল উদ্দিন আহমদ (৫৫) নামক একজন রোগী মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সম্মুখে এ্যাম্বুলেন্সেই মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে নিহতের ছেলে শিপু মিয়াকে মারধর ও মাথায় ছুরিকাঘাত করে আহত করে এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার খালেদ মিয়া, সাদিক মিয়া সহ আরো কয়েকজন। এ ঘটনায় সাধারণ রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। নেতৃবৃন্দ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।